যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। তবে চুক্তিটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়নি এবং এটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতার চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণের প্রতিশ্রুতি দেবে। তবে কীভাবে এবং কখন সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা পরিকল্পনার মূল কাঠামো অনুমোদন করেছেন, যদিও এখনো কোনো চূড়ান্ত দলিল প্রস্তুত হয়নি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান চুক্তিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ বা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির ওপর কোনো স্থগিতাদেশের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এসব বিষয় ভবিষ্যতের আলোচনায় তোলা হবে বলে জানানো হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত করার প্রতিশ্রুতি চেয়েছিল।
এদিকে ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি রো খান্না বলেন, তিনি ইরানের সঙ্গে একটি স্বল্পমেয়াদি চুক্তিকে সমর্থন করেন। এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমরা এই যুদ্ধ এড়াতে পারতাম। খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ত না, গ্যাসের দামও বাড়ত না।” তিনি আরও বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই যুদ্ধের সমাপ্তি হওয়া উচিত।
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা “সুশৃঙ্খল ও গঠনমূলকভাবে এগিয়ে চলেছে।” তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ শিথিল করতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, “চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে বলবৎ থাকবে।”
সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


