পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ রোববার সকাল ৯টায় ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গত তিন দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির ঘরে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে।
রাতভর গুঁড়ি-গুঁড়ি বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝরেছে। সকালে সূর্যের দেখা পাওয়া গেলেও আকাশে কুয়াশার কারণে রোদের প্রখরতা মাটিতে পড়ছে। উত্তরের হিমেল বাতাস আর কনকনে শীতে ছিন্নমূল মানুষসহ প্রাণিকূলকে যবুথবু করে দিয়েছে ।
দুপুর গড়িয়ে যাওয়ার পর, সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার আগে ঘন কুয়াশায় পথঘাট ঢাকা পড়ছে। তীব্র শীতের কারণে সাধারণ মানুষ হাট-বাজার থেকে তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফিরছে। ফলে প্রায়ই পথঘাট শূন্য হয়ে পড়ছে।
ঠান্ডার কারণে মা ও শিশু এবং বয়স্কদের মধ্যে সর্দি-জ্বর, কাঁশিসহ নিউমোনিয়া রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এদিকে তেঁতুলিয়া হাসপাতালে মা ও শিশু ডাক্তারসহ অন্যান্য জনবলের সংকট থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।
তবু স্বল্পসংখ্যক জনবল নিয়ে সাধ্যমতো চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তেঁতুলিয়া হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (ভার.) ডা. মো. শাকিল রহমান। তিনি ঠান্ডার প্রাদুর্ভাব থেকে বাঁচার জন্য মা ও শিশুসহ বয়স্কদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
তেঁতুলিয়ার আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জীদেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত তিন দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে। বর্তমানে পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু জেলার ওপর দিয়ে মৃদ্যু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও হিমেল বাতাস আর ঘন কুয়াশায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। সকালে সূর্য উঠলেও কুয়াশার কারণে রোদের প্রখরতা মাটিতে না পড়ায় কনকনে শীত বেড়েছে। আগামী কয়েক দিন আরও এই শৈত্যপ্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে।
এসআই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

