পানিবণ্টন চুক্তি ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ‘তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন’। ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ স্লোগানে উত্তরের পাঁচ জেলার লাখও মানুষ ওই কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার কথা। কিন্তু হঠাৎ ধূধূ বালুচরে নেমেছে উজানের ঢল। তিস্তার পানি বাড়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। শুষ্ক মৌসুমে ভারতের পানি ছেড়ে দেওয়ায় নজিরবিহীন মনে করছেন অনেকেই।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে বাড়তে থাকে তিস্তার পানি। পানির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। এতে তিস্তার জেগে ওঠা বালুচরে রসুন, পেঁয়াজ, মিষ্টি কুমড়া, ডাল, বাদামসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টের দবিয়ার রহমান বলেন, তিস্তার পানি নিয়ে আমরা আন্দোলন করতে যাচ্ছি। ঠিক তখনই পানি ছেড়ে দিয়েছে ভারত। এটা দুঃখজনক ব্যাপার।
সদর উপজেলার কালমাটি এলাকার মনছের আলী বলেন, লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে আমাদের আয়োজনে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানাবো। ঠিক তখনই পানি ছেড়ে আমাদের দাবি নস্যাতের পাঁয়তারা করছে ভারত।
তিস্তা ব্যারেজ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, শনিবার রাতে হঠাৎ তিস্তার পানি বেড়েছে। পানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিস্তা নদীরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, পানি বাড়লেও ১৭-১৮ ফেব্রুয়ারি তিস্তার তীরে আমাদের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। কর্মসূচিতে তিস্তার অবস্থা বিশ্ববাসীকে জানাতে হাজারও মশাল জ্বালানো হবে। এতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

