আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

হুমকি-ধমকির মামলায় অব্যাহতি পেলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্টার

হুমকি-ধমকির মামলায় অব্যাহতি পেলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী

হুমকি-ধমকি না দেয়ার মুচলেকায় এক ব্যবসায়ীর করা মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন আদালত।   

বিজ্ঞাপন

সোমবার সকালে শুনানি শেষে ঢাকা জেলা প্রশাসকের ৩ নম্বর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকারের আদালত এই আদেশ দেন। এর আগে গত বছরের ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। পরে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীর বিরুদ্ধে হুমকি-ধমকির অভিযোগের বিষয়ে জবাব দাখিলের জন্য ১২ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত। এদিন মেহজাবিন ও তার ভাইয়ের পক্ষে আদালতে জবাব দাখিল করা হয়। জবাব সন্তোষজনক হওয়ায় শুনানি শেষে তাদের অব্যাহতির আদেশ দেন আদালত।

এ বিষয়ে বাদীর আইনজীবী রায়হান গাজী নয়ন বলেন, এ মামলায় বাদীকে আর কোনো হুমকি-ধমকি না দেয়ার শর্তে আদালতে মুচলেকা দিয়েছেন অভিনেত্রী মেহজাবিন ও তার ভাই। আদালত মুচলেকা গ্রহণ করে এ মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেন।

এ মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বলেন, আদালত আসামি পক্ষের দেয়া জবাব সন্তোষজনক মনে করায় মেহজাবিন ও তার ভাইকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করেছেন।

বাদীর অভিযোগ থেকে জানা গেছে, দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আসামি মেহজাবীন চৌধুরী বাদীকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থ এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা নেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়ীক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় বাদী বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে কালকে দিব বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপণ করেন। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। 

ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা বলেন, ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না, তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব।’ এসব কথা বলে তারা বাদীকে জীবননাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেন।

এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ও ১১৭(৩) ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন