আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা ইতিবাচকভাবে অগ্রগতি হচ্ছে: আলী রীয়াজ

স্টাফ রিপোর্টার

ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা ইতিবাচকভাবে অগ্রগতি হচ্ছে: আলী রীয়াজ

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলো আলোচনা প্রতিদিন ইতিবাচকভাবে অগ্রগতি হচ্ছে বলে জানিয়েছে কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, প্রতিদিন কিছু কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হচ্ছে-প্রতিদিন সব বিষয় সিদ্ধান্ত পৌঁছতে পারবো না এরকম প্রত্যাশা আপনারা করবেন না। আলোচনা ইতিবাচকভাবে অগ্রগতি হচ্ছে। এবং আমরা আশা করছি জুলাই মাসের মধ্যেই জুলাই সনদ তৈরি করতে পারবো।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বেইলী রোডে অবস্থিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি নিয়ে কথা বলেন।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, জাতীয় কমিশনের পক্ষ থেকে একটি জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে অব্যাহত আলোচনা চলছে।

যেসব বিষয়ে চূড়ান্ত ঐক্যমতে প্রচেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলো তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ আলোচনা শেষে আমরা একমত হয়েছি-৭০ অনুচ্ছেদের বিদ্যমান বিধান পরিবর্তন করে অর্থবিল এবং আস্থাভোটের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনীত সংসদ সদস্যরা দলের পক্ষে ভোট দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে।

'দ্বিতীয় আরেকটি বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি-সংসদের চার স্থায়ী কমিটিসহ জনগুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলোতে সংখ্যা আনুপাতিক হারে বিরোধীদল থেকে সভাপতি পদ দেওয়ার কথা হয়েছে। এই বিষয়ে সকল রাজনৈতিক একমত হয়েছে।'

নারী ১০০ আসন নিয়ে তিনি বলেন,এছাড়া আমরা আরও দুইটি বিষয়ে কথা বলেছি এক- নারীদের নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নারীদের আসন স্থায়ীভাবে ১০০টি করার জন্য সবাই একমত হয়েছে। এরপর পদ্ধতি এবং প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে এবং চলবে। আমরা আশা করছি আগামী সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে একমত হওয়া যাবে।

প্রধান বিচারপ্রতি নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, আজকে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে। যেটা সংবিধানের ৯৫ এক অনুচ্ছেদে আছে পাশাপাশি সংবিধানের ৪৮ ৩ অনুচ্ছেদে এটা সংশোধন অনুযায়ী একধরনের ঐক্যমত্য হয়েছে। দুইটি দলছাড়া এই বিষয়ে সবাই একমত হয়েছে কিন্তু এই বিষয়ে আগামী সপ্তাহে আবারও পুনরায় আলোচনা করবো।

এছাড়া দ্বিকক্ষ পার্লামেন্টের বিষয়ে ঐক্যমত হয়েছে-কিন্তু দ্বিকক্ষ পার্লামেন্ট গঠনের ক্ষেত্রে কিছু কিছু দল নীতিগতভাব্র আপত্তি জানিয়েছে। এখানে কমবেশি সবাই স্বীকার করেছে এটা পুনর্বিবেচনা করা দরকার। যারা একমত হয়েছে তারা সবাই বলেছে উচ্চকক্ষে ১০০ সদস্যবিশিষ্ট হওয়া দরকার। উচ্চকক্ষ গঠনের প্রক্রিয়া নির্বাচন ও তা গঠনের জন্য আলোচনা প্রয়োজন তা অব্যাহত আছে।

জামায়ার আজকে অংশগ্রহণ করেনি এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, জামায়াত আজকে অংশগ্রহণ করেনি, তবে আমরা আশা করছি আগামীকাল থেকে তারা বৈঠকে অংশগ্রহণ করবে। সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। আমরা সব দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি যখনই কোন অসুবিধা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে আপনারা পক্ষপাত মূলক আচরণ করছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,তারা মনে করছে তারা বলছে। কিন্তু আমরা প্রত্যেকটি দলের প্রতি সমানভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...