রাজধানীতে শুক্রবার সামান্য বৃষ্টি হলেও সারা দেশে প্রবণতা বেড়ে দিনের তাপমাত্রা আরো কমেছে। রোববার থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরো বাড়তে পারে। এতে ভ্যাপসা গরমের দাপট আরো খানিকটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আগের দিনের তুলনায় রাজধানী ও সারা দেশে তাপমাত্রা কমেছে। শুক্রবার খুলনায় সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৫ এবং রাজধানীতে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তার কারণে গতকাল দেশের প্রতিটি বিভাগেই কম-বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৮৮ মিলিমিটার। এদিন রাজধানীতে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। এতে কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরমের পর রাজধানীসহ সারা দেশে স্বস্তি ফিরেছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এতে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
শুক্রবার রাত ৮টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক আমার দেশকে বলেন, এখন মৌসুমি বায়ু মোটামুটিভাবে সারা দেশেই বিস্তার লাভ করে সক্রিয় হয়েছে। এর ফলে সারা দেশেই বর্ষার বৃষ্টি হচ্ছে। ২১ জুন থেকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরো বাড়তে পারে।
তবে এবার বর্ষায় বৃষ্টি হলেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকবে। এছাড়া এবার এল নিনো সক্রিয় থাকায় সারা বিশ্বেই এর প্রভাব থাকবে। এতে বর্ষাকালে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে তাপমাত্রার চেয়েও বেশি ভ্যাপসা গরম অনুভূত হতে পারে।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

