
জাল সনদে চাকরি, মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় তারাগঞ্জ কামিল মাদরাসার শিক্ষক আজিজুর রহমানকে জাল সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি ওই মাদরাসার আরবি প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
জাল সনদ বাংলাদেশের শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে বড় সমস্যা। জাল সার্টিফিকেট, মুক্তিযোদ্ধা কোটা জালিয়াতি ও তদন্ত নিয়ে বিশ্লেষণ পড়ুন আমার দেশ-এ — সততা ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর নির্ভরযোগ্য উৎস।

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় তারাগঞ্জ কামিল মাদরাসার শিক্ষক আজিজুর রহমানকে জাল সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি ওই মাদরাসার আরবি প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় মোটরসাইকেলের জাল রেজিস্ট্রেশন সনদ ব্যবহার করে ফুয়েল কার্ড নিতে এসে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ধরা দুই যুবককে জরিমানা । রোববার দুপুরে উপজেলার চত্বর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের জরিমানা করা হয়।

ডিআইএর নথির তথ্যানুযায়ী, সবচেয়ে বেশি জাল সনদধারী শনাক্ত হয়েছে রাজশাহী বিভাগে। এ বিভাগের ৭৭৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীর সনদ জাল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ১২০ জন, ঢাকা বিভাগে ৭০ জন, খুলনা বিভাগে ১৭৯, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪ জনের সনদ জাল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বগুড়া-৪ আসন
মাসুদ আলী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৩-৯৪ শিক্ষাবর্ষে বিএসএস বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২১২৪৯৩ ও রোল নম্বর ১৩৬৮৬৯। ওই বছর তিনি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন ও পরে আর পরীক্ষা দেননি।