
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর, খুলশীর সেই ওসি প্রত্যাহার
পুরো ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সিএমপি ।

পুরো ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সিএমপি ।

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে আটক ও হেনস্থার ঘটনার পেছনে ছিল একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা। রাত ১টা ২৮ মিনিটে পাঠানো সেই বার্তায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার নম্বর উল্লেখ করে দাবি করা হয়, সেটি দিয়ে স্বর্ণ চোরাচালান হচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই কয়েক মিনিটের মধ্যে মাঠে নামে পুলিশ।

রাত তখন সাড়ে ১১টা। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মাঠ থেকে ফিরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে নেমেছেন মাত্র। ক্লান্ত শরীর, বাড়ি ফেরার তাড়া। একটি সিএনজি অটোরিকশায় উঠলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অফস্পিনার নাঈম হাসান। গন্তব্য নিজের শহরেই নিজের বাড়ি। কিন্তু সেই বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছানো আর হলো না সহজে।

পুলিশ নিজেদের জনগণের বন্ধু বললেও বাস্তবে তাদের আচরণে সঙ্গে মিল নেই। তারা যদি বন্ধু হতো, কখনো আমার ছেলের সাথে এরকম আচরণ করতে পারত না। তারা সম্পূর্ণ অপেশাদার, উগ্র আচরণ করেছে নাঈমের সাথে।