ক্যারিবিয়ান সাগরে ভেনেজুয়েলার তেল পরিবহন আটকে দেওয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা’ বলে অভিযোগ করেছেন কিউবার একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক। তার দাবি, মার্কিন সামরিক হামলা ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের পর ওয়াশিংটন কার্যত কিউবার বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধ আরোপ করেছে।
কলম্বিয়ায় কিউবার রাষ্ট্রদূত কার্লোস ডি সেসপেডেস শনিবার আল জাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ভেনেজুয়েলার তেল ট্যাঙ্কার আটকে দিয়ে কিউবায় জ্বালানি পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে। তার ভাষায়, এটি স্পষ্ট আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা।
ডি সেসপেডেস বলেন, বিপ্লবের পর ৬৭ বছরে কিউবা কখনোই এতটা তীব্র মার্কিন হুমকির মুখে পড়েনি। তিনি দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক চাপের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
এই মাসের শুরুতে মাদুরোকে অপহরণের পর ভেনেজুয়েলা থেকে কিউবায় তেলের প্রবাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। অথচ সাম্প্রতিক দশকগুলোতে ভেনেজুয়েলাই ছিল কিউবার প্রধান তেল সরবরাহকারী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, কিউবায় ভেনেজুয়েলার তেলের প্রবাহ এখন ‘শূন্য’। তিনি হুমকি দেন, এই অবস্থা বজায় থাকবে। ট্রাম্প এমনকি মন্তব্য করেন, ভেনেজুয়েলার তেল ছাড়া কিউবা অর্থনৈতিকভাবে ভেঙে পড়বে।
যদিও কিউবা মেক্সিকোসহ অন্য উৎস থেকে তেল আমদানি চালিয়ে যাচ্ছে, তবু ভেনেজুয়েলার তেল বন্ধ হলে দেশটির সংকটাপন্ন অর্থনীতি আরও চাপে পড়তে পারে। পলিটিকো জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার ওপর পূর্ণ জ্বালানি অবরোধ আরোপের বিষয়টিও বিবেচনা করছে, যা মানবিক সংকট তৈরি করতে পারে।
ডি সেসপেডেস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কিউবাকে দমাতে পারবে না। তার ভাষায়, এক ফোঁটা তেল না পেলেও কিউবা ভয় পায় না এবং সাম্রাজ্যবাদী হুমকির কাছে মাথা নত করবে না।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ইরানি শীর্ষ কর্মকর্তার মেয়েকে বরখাস্ত করল মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়
সৌদিতে শ্রম ও অভিবাসন আইনে ১৪ হাজারেরও বেশি প্রবাসী বহিষ্কার
গাজা কোনো কল্পনার রিয়েল এস্টেট নয়