ইসরাইলের বর্বর হামলার শিকার হলো গাজার আরো একটি হাসপাতাল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার গাজা সিটির আল-হেলু হাসপাতালে পর পর দু’টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে দখলদার বাহিনী। খবর বার্তা সংস্থা আনোদোলুর।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গণমাধ্যম কার্যালয়ের পরিচালক ইসমাইল আল-থাওয়াবতা আনাদোলুকে বলেন, হামলার কারণে হাসপাতালে প্রবেশ ও সেখান থেকে বের হওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। ব্যাহত হচ্ছে রোগীদের সেবাদান।
তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের ভেতরে চিকিৎসক এবং রোগীরা তীব্র আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। দখলদার বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে হাসপাতালের ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে বাইরের বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।’
গাজার কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেন, ইসরাইলের এই ধরনের কর্মকাণ্ড ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ এবং ইসরাইল এখানে যুদ্ধাপরাধ করছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী কমপক্ষে ৩৮টি হাসপাতাল ধ্বংস করেছে বা পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে, ৯৬টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা করেছে এবং ১৯৭টি অ্যাম্বুলেন্স ধ্বংস করেছে বা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
থাওয়াবতা আরো বলেন, ‘ইসরাইল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, কর্মী ও হাসপাতালের পণ্য সরবরাহকে লক্ষ্য করে ৭৮৮টি আক্রমণ চালিয়েছে। মানবিক দায়িত্ব পালনের সময় এক হাজার ৬৭০ জন চিকিৎসা কর্মীকে হত্যা করেছে।’
তিনি বলেন, এগুলো শুধু পরিসংখ্যান নয়, বরং ফিলিস্তিনি জনগণের জীবন, স্বাস্থ্য এবং মর্যাদাকে লক্ষ্যবস্তু করার ইসরাইলি নীতির স্পষ্ট দলিল।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই চলমান অপরাধ বন্ধ করতে এবং গাজা উপত্যকায় বেসামরিক নাগরিক এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে রক্ষা করতে আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ভিয়েতনামে শক্তিশালী টাইফুনের আঘাত, ৮ জনের মৃত্যু
মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ কিছু ঘটতে যাচ্ছে: ট্রাম্প