ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তা আলী লারিজানির মেয়ে ফাতেমেহ আরদেশির-লারিজানিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় এমোরি ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার শিক্ষার্থীদের পরিচালিত স্কুল সংবাদপত্র এমোরি হুইল এ তথ্য প্রকাশ করে।
পত্রিকাটি জানায়, এমোরি ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিনের ডিন সান্দ্রা ওং ২৪ জানুয়ারি অনুষদের কাছে পাঠানো এক ইমেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ইমেলে উল্লেখ করা হয়, একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি সরকারি কর্মকর্তার মেয়ে হিসেবে পরিচিত ওই চিকিৎসক আর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী নন।
ইরানে চলমান বিক্ষোভ এবং এমোরির উইনশিপ ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের বাইরে ফাতেমেহ আরদেশির-লারিজানির নিয়োগের বিরুদ্ধে ইরানি-আমেরিকান বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদের পর এই সিদ্ধান্তের খবর সামনে আসে।
এমোরি হুইল জানায়, এমোরি থেকে বিদায় নেওয়ার আগে ফাতেমেহ আরদেশির-লারিজানি মেডিকেল স্কুলের হেমাটোলজি ও মেডিকেল অনকোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২৪ জানুয়ারির পর থেকে তার এমোরি ফ্যাকাল্টি পেজ এবং এমোরি হেলথকেয়ার সংক্রান্ত ওয়েব পেজ আর দেখা যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের উইনশিপ ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের জনসংযোগ বিভাগের সহযোগী পরিচালক আন্দ্রেয়া ক্লিমেন্ট বলেন, এটি একটি কর্মী-সংক্রান্ত বিষয়। তিনি জানান, এমোরি রোগীর সেবা, গবেষণা ও শিক্ষার অগ্রগতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সব নিয়োগ রাজ্য ও ফেডারেল আইন মেনে করা হয়।
উল্লেখ্য, আলী লারিজানি ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব। চলতি মাসের ১৫ জানুয়ারি তাকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়। তখন মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানায়, ইরানে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধেই এই ব্যবস্থা।
সূত্র: আল আরাবিয়া।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


সৌদিতে শ্রম ও অভিবাসন আইনে ১৪ হাজারেরও বেশি প্রবাসী বহিষ্কার
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১০, নিখোঁজ ৮০
গাজা কোনো কল্পনার রিয়েল এস্টেট নয়