যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে নতুন ভোটিং আইন জারি করার হুমকি দিয়েছেন। আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই এ বিষয়ে নির্বাহী আদেশ জারি করার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, কংগ্রেস যদি ভোট দিতে ছবি সংবলিত পরিচয়পত্র (ভোটার আইডি) বাধ্যতামূলক করার আইন পাস না করে, তাহলে তিনি নির্বাহী আদেশ জারি করে তা কার্যকরের চেষ্টা করবেন।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘কংগ্রেস অনুমোদন করুক বা না করুক, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটার আইডি থাকবে!’
তিনি আরো বলেন, ‘কংগ্রেসের মাধ্যমে সম্ভব না হলে এটি অনুমোদিত না হওয়ার আইনি কারণ রয়েছে। খুব শিগ্গিরই আমি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে তা উপস্থাপন করব।’
এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের অনেক জায়গায় ভোট দিতে ছবি সংবলিত পরিচয়পত্র প্রয়োজন হলেও সব জায়গায় নয়। ট্রাম্প ও তার সমর্থকেরা দাবি করেন, যেখানে এমন বাধ্যবাধকতা নেই, সেখানে ব্যাপক ভোট জালিয়াতি হয়েছে, যদিও এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ট্রাম্প সমর্থিত ‘সেভ আমেরিকা’ নির্বাচন সংস্কার বিল প্রতিনিধি পরিষদে পাস হয়েছে, যেখানে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তবে সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুবই কম হওয়ায় ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ছাড়া বিলটি পাস হওয়ার সম্ভাবনা কম।
বিলে ভোট দিতে ছবি সংবলিত পরিচয়পত্রের পাশাপাশি ভোটার নিবন্ধনের সময় নাগরিকত্বের প্রমাণও বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রয়েছে।
সমালোচেরা বলছেন, এ ধরনের বিধিনিষেধ লাখো ভোটারকে ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত করতে পারে, কারণ অনেকের কাছে পাসপোর্ট বা জন্ম সনদের কাগজপত্র নেই। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্রেনান সেন্টারের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২ কোটির বেশি মার্কিনির কাছে এ ধরনের নথি সহজলভ্য নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার বিষয়ে অঙ্গরাজ্যগুলোর বিস্তৃত ক্ষমতা রয়েছে। ফলে প্রেসিডেন্ট কীভাবে জাতীয় পর্যায়ে বাধ্যতামূলক ভোটার আইডি কার্যকর করবেন, তা স্পষ্ট নয়।
সূত্র: বিএসএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ইমরান খানকে হাসপাতালে নেওয়ার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট
খালিস্তানপন্থি নেতাকে হত্যা ষড়যন্ত্রে ‘র-এর সংশ্লিষ্টতা’, ভারতীয়ের দোষ স্বীকার