বিক্ষোভের জেরে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর দেশের সহিংস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে সেনাবাহিনী। কাঠমান্ডুর রাস্তায় টহল দিচ্ছে সেনারা। বুধবার এক প্রতিবেদনে একথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমদ্য হিন্দু।
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেত বলেন, ‘আমরা প্রথমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি। আমরা মানুষের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
টহলরত এক সেনা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘আজ পরিস্থিতি শান্ত। সেনাবাহিনী সব জায়গায় রাস্তায় নেমেছে।’
এদিকে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে সেনাবাহিনী।
সংবাদমাধ্যম দ্য হিমালয়ান সেনাবাহিনীর এক বিবৃতির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সেনাবাহিনী দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যা বলবৎ থাকবে আজ বুধবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে কারফিউ জারি করা হবে।
ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে পরিচালিত যেকোনো অপরাধমূলক কাজকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
কারফিউ চলাকালীন অ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ি, অগ্নিনির্বাপণ গাড়ি এবং স্বাস্থ্যকর্মী ও নিরাপত্তা কর্মীদের ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। সেনাবাহিনী সকল নাগরিককে প্রয়োজনে নিকটবর্তী নিরাপত্তা কর্মীদের সাথে সমন্বয় করার জন্য অনুরোধ করেছে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ইউক্রেনে রাশিয়ার বিমান হামলায় ২৪ জন নিহত