তিন দিনের চীন সফর শেষে দেশে ফিরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত কথোপকথন থেকে এ সপ্তাহে দুই নেতার বৈঠকের একটি আভাস পাওয়া যায়।
শি জিনপিং বেইজিংয়ের দেয়ালঘেরা গোপন বাগান ‘ঝংনানহাই’ ট্রাম্পকে ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন। জিনপিং, যাকে চীনা গণমাধ্যমে পূর্বপ্রস্তুত বক্তব্য ছাড়া খুব কমই কথা দেখা যায়, তাকে ঝংনানহাইয়ের মধ্য দিয়ে হাঁটার সময় অনুবাদকের মাধ্যমে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়।
ঝংনানহাই হলো চীনের নেতাদের আবাসস্থলের একটি প্রাচীরঘেরা চত্বর। একটি খিলানের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় জিনপিং হাত বাড়িয়ে ট্রাম্পকে পথ দেখান এবং একটি ধাপ দেখিয়ে দেন যাতে প্রেসিডেন্ট হোঁচট না খান।
চীনা নেতা ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো একটি গাছ দেখিয়ে বলেন যে, এটি আসলে দুটি গাছ, যা একসঙ্গে মিশে গেছে। এটি সম্ভবত দুই দেশকে একসঙ্গে কাজ করার জন্য জিনপিংয়ের আহ্বানের প্রতি একটি ইঙ্গিত।
ট্রাম্প হাঁটা থামিয়ে জানতে চান, জিনপিং প্রায়ই বিদেশি নেতাদের ঝংনানহাইতে নিয়ে আসেন কি না। জিনপিং জানান, ‘কদাচিৎ এমনটা ঘটে।’ তিনি বলেন, ‘পুতিন এখানে এসেছেন।’
২০২৪ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন যখন চীন সফরে গিয়েছিলেন, তখন তিনি জিনপিংয়ের সঙ্গে ঝংনানহাইয়ের বাগানে চা পান করেছিলেন এবং সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন।
বাগানে ঘুরতে ঘুরতে জিনপিং ট্রাম্পকে বাগানের আরো প্রাচীন গাছ দেখান।
সফর শেষে ট্রাম্প চারপাশের গাছগুলোর দিকে ইশারা করে জিনপিংয়ের কাছে বর্ণনা করেন, এই অভিজাত চত্বরটি তার কাছে কতটা ভালো লেগেছে। তিনি বলেন, ‘আমি এতে অভ্যস্ত হয়ে যেতে পারি।’ দুই নেতার অত্যন্ত সুপরিকল্পিত শীর্ষ সম্মেলনের সময় এটি ছিল হাতেগোনা কয়েকটি অপরিকল্পিত মুহূর্তের একটি।
সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



ইরানে ওষুধের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধিতে বিপাকে রোগীরা
নাকবাকে ‘জাতিগত নিধন অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃতির আহ্বান ফিলিস্তিনের