যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা করতে এখন পাকিস্তানে রয়েছেন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। স্থানীয় সময় আজ শনিবার বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হবে। বৈঠকটি হবে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে।
তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে জানায়, সম্ভবত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল প্রথমে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করবে, এরপর সম্ভাব্য আলোচনা শুরু হবে। সে অনুযায়ী বিকেলে আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আজ শনিবার ইসলামাবাদে পৌঁছায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং তার প্রতিনিধি দল। বিমানটি অবতরণের পর তাদেরকে রানওয়েতে স্বাগত জানান পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং দেশটির ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও শীর্ষ উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ।
এর আগে ইসলামাবাদে পৌঁছায় ইরানি প্রতিনিধিদল। ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সংসদ স্পিকার বাঘের গালিবাফ এবং এতে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি আলি বাঘেরি কানি।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। এর জবাবে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এই অঞ্চলে এবং অধিকৃত ভূখণ্ডে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরাইলি স্থাপনায় হামলা চালায়।
পরিস্থিতি শান্ত করার প্রচেষ্টায়, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। ইরান এই আলোচনার জন্য একটি ১০ দফা পরিকল্পনা পেশ করেছে, যার মধ্যে মার্কিন বাহিনীর প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন ১৫ দফা প্রস্তাব তৈরি করেছে, যেখানে ইরানকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ত্যাগ এবং সামরিক সক্ষমতায় সীমাবদ্ধতা মেনে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা নিয়ে ৪টি জরুরি বিষয়
যেভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সেতুবন্ধ হয়ে উঠল পাকিস্তান