চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব নির্ধারণের জন্য আজ বৈঠকে বসতে যাচ্ছে নেপালের সেনাবাহিনী, প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পাউডেল ও জেন-জি প্রতিনিধিরা। আন্দোলনকারীরা অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নাম চূড়ান্ত করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে নেপালের সংবাদমাধ্যম দ্য হিমালয়ান টাইমস।
প্রদিবেদনে বলা হয়, আজকের বৈঠকের সিদ্ধান্তকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়া হবে বলে আশা করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
প্রথমে সুশীলা কার্কির সহযোগীদের সাথে সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগডেলসহ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে শীতল নিবাসে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে পরবর্তী আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
কাঠমান্ডু মেট্রোপলিটন সিটির মেয়র বালেন শাহ কার্কির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন।
সুশীলার স্বামী নেপালের যুব কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। তবে সুশীলা দল বা রাজনীতি থেকে দূরে থেকেছেন। নেপালের ইতিহাসে একমাত্র নারী হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হয়েছিলেন। আর সেনাপ্রধান যদি আন্দোলনকারীদের প্রস্তাব মেনে নেন, তাহলে নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হবেন সুশীলা।
১৯৭৫ সালে ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন সুশীলা। ১৯৭৯ সালে তিনি বিরাটনগরে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। সেইসঙ্গে কাজ করতে থাকেন সহকারি শিক্ষক হিসেবেও। ২০০৯ সালে তাকে নেপালের সুপ্রিম কোর্টে অ্যাডহক বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। ২০০৯ সালে নেপালের প্রধান বিচারপতি হন তিনি।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুশীলা কার্কির নাম প্রস্তাব
নেপালে বাড়লো কারফিউ-বিধিনিষেধের সময়সীমা