ইরানে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে দেশটির ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস আইআরজিসি জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা তাদের জন্য একটি লাল রেখা। কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ব্যাপক এই বিক্ষোভটি রাতভর চলার প্রেক্ষাপটে শনিবার এমন মন্তব্য করে বাহিনীটি।
সেনাবাহিনী থেকে আলাদা এই অভিজাত বাহিনী জানায়, তারা দেশের নিরাপত্তা ও ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের অর্জন রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আইআরজিসির দাবি, গত দুই রাতে সন্ত্রাসীরা সামরিক ও আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এ সময় নিরাপত্তা সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক হত্যার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
এদিকে ইরানের সেনাবাহিনীও জাতীয় স্বার্থ, কৌশলগত অবকাঠামো এবং জনসম্পদ রক্ষার ঘোষণা দিয়েছে। সেনাবাহিনী ও আইআরজিসি উভয়ই দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অধীনে পরিচালিত।
দুই সপ্তাহ আগে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রথমে লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবাদে শুরু হলেও পরে তা রাজনৈতিক রূপ নেয়। অনেক বিক্ষোভকারী ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতনের দাবিও তোলে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কারাজে একটি পৌর ভবনে আগুন দেওয়া হয়েছে। তেহরানের চিকিৎসকদের বরাতে জানা গেছে, রাজধানীর ছয়টি হাসপাতালে অন্তত ২১৭ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে। অধিকাংশের শরীরে তাজা গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া ইরানি কর্তৃপক্ষ এক দিনের বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট বন্ধ করে রেখেছে বলে জানিয়েছে ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকস। সংস্থাটি জানায়, দেশজুড়ে ৩৬ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট চলছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ফিলিস্তিনিদের সোমালিল্যান্ডে স্থানান্তরের পরিকল্পনা ইসরাইলের
যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও জাহাজে আঘাত হানবে ইরান