জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানিয়েছে, ভয়াবহ আর্থিক সংকটের কারণে ৫৭১ ফিলিস্তিনি কর্মীকে ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছে তারা। সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে গাজা, অধিকৃত পশ্চিম তীর, লেবানন, জর্ডান ও সিরিয়ায় ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সাহায্য ও সহায়তা প্রদান করে আসছে সংস্থাটি। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।
সংস্থাটি পরিচালিত হয় স্বেচ্ছাসেবীদের অনুদানে। সেই অনুদান অনেক কমে গেছে। কারণ এটি ইসরাইলের সমালোচনা এবং আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ইউএনআরডব্লিউর মুখপাত্র এই আর্থিক সংকটকে অভূতপূর্ব বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালে প্রায় ৮৮০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে সংস্থাটি, যদিও মাত্র ৫৭০ মিলিয়ন ডলার অনুদান পেয়েছিল। তিনি আরো বলেন, পরিস্থিতি যেমন দাঁড়িয়েছে, তাতে ২০২৬ সালে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ছাঁটাই হওয়া সব কর্মী মূলত গাজায় কর্মরত ছিলেন। তবে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই তারা গাজা ছেড়েছিলেন। গাজা ছেড়ে যাওয়ার পর দূর থেকে তারা দায়িত্ব পালন করতে পারছিলেন না। মুখপাত্র জানান, ‘ছাঁটাই কর্মীরা ১০ মাসেরও বেশি সময় ধরে বেতনহীন ছিলেন। সংস্থার নিয়ন্ত্রণের বাইরের পরিস্থিতির কারণে তারা কখন তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বা আদৌ পারবেন কি না, তা অনুমান করা অসম্ভব।’
মুখপাত্র জানান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় তাদের ৩০০ জনেরও বেশি কর্মী নিহত হয়েছেন, এখনো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ভেতরে প্রায় ১২ হাজার কর্মী কর্মরত রয়েছেন।
ইসরাইল ইউএনআরডব্লিউএকে ফিলিস্তিনে কার্যক্রম পরিচালনা করতে বাধা দিয়েছে, সংস্থাটির বিরুদ্ধে হামাসকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ এনেছে। তাদের দাবি, সংস্থার কিছু কর্মচারী ৭ অক্টোবরের হামলায় অংশ নিয়েছিল।
আরএ/এসআই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


তুরস্ক-পাকিস্তান সহযোগিতা বাড়ছে ভারত মহাসাগরেও
ইউক্রেনে ‘পবিত্র মিশনে’ আছে রুশ সেনারা: পুতিন