ইরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষক আলি আকবর দারেইনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী ইরানের জব্দ করা সম্পদ মুক্তির ক্ষেত্রে কোনো শর্ত নেই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এখনো সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দারেইনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শর্ত ছাড়াই অবিলম্বে ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছেড়ে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু তারা তাদের অঙ্গীকার রক্ষা করেনি।”
তিনি জানান, সমঝোতা স্মারকটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। প্রথম ধাপে পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং দ্বিতীয় ধাপে চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হবে।
দারেইনির অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই এমওইউ অনুযায়ী নিজেদের দায়বদ্ধতা পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ আলোচনা বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
তার ভাষায়, “এমওইউর প্রথম অনুচ্ছেদে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের এবং ইসরাইলের পক্ষ থেকে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ ও সামরিক অভিযান বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু পরে তারা ইসরাইল ও লেবাননের সঙ্গে আলাদা একটি চুক্তি করেছে, যা এমওইউর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এতে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র সৎ উদ্দেশ্যে সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়ন করছে না।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থ অবৈধভাবে আটকে রেখেছে এবং এখন সেই অর্থকেই জিম্মি করে রেখেছে।”
তবে দারেইনির এসব বক্তব্য ইরানের পক্ষের অবস্থান ও অভিযোগ। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এসআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


