ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য সৈয়দ এ. কে. একরামুজ্জামানের দাখিল করা মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করেন।
নির্বাচন কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি এক সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ছিলেন। তবে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে জয়লাভ করার পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা হলফনামায় একরামুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, তার বিরুদ্ধে বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা, নাসিরনগর, যাত্রাবাড়ী এবং উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিম থানায় মোট সাতটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। এসব মামলার বেশিরভাগই জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট।
এদিকে একরামুজ্জামানের মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিয়েছিলেন ওই আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একরামুজ্জামান সাতটি মামলার পলাতক আসামি। এছাড়া তিনি একটি বিতর্কিত রাজনৈতিক অবস্থানের লোক। একজন পলাতক আসামি কীভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন? আমরা এটি বাতিলের জন্য লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম।
নাসিরনগর থানার ওসি মো. শাহীনূর ইসলাম জানান, নাসিরনগর থানার মামলায় একরামুজ্জামান জামিন নেননি। তিনি কাগজে-কলমে পলাতক আছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান বলেন, সব কাগজপত্র সঠিক থাকায় একরামুজ্জামানের মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করা হয়। অপর প্রার্থীর লিখিত অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আপত্তি থাকলে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

