বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর বিদ্যমান ১০শতাংশ আয়কর বহাল রাখার সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি।
শনিবার সংগঠনটির পরিচালক বেলাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে করের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে জানানো হয়, বাজেট ঘোষণার আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের কাছে আয়কর প্রত্যাহারের বাস্তবিক যৌক্তিকতা তুলে ধরা হলেও এ বিষয়ে প্রত্যাশিত কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসেনি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, ল্যাবরেটরি, শিক্ষা উপকরণ ও বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভ্যাট ও কর পরিশোধ করতে হচ্ছে। তার উপর ১০ শতাংশ আয়কর আদায় করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, অন্যদিকে এ ধরনের আর্থিক চাপ পরোক্ষভাবে শিক্ষার্থীদের উপর প্রভাব ফেলবে এবং উচ্চশিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি করতে পারে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির মতে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠান অলাভজনক। কিন্তু একই সঙ্গে আয়কর প্রদানের বাধ্যবাধকতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি নীতিগত প্রশ্নের জন্ম দেয়।
দেশে বেসরকারি পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা খাতের গুরুত্ব বিবেচনায়, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় বেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষার্থীদের উপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমাতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপর আরোপিত ১০ শতাংশ আয়কর পুনর্বিবেচনা করা জরুরি।
সংগঠনটি বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের কাছে আয়কর প্রত্যাহারের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেছে, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগকে ব্যয় নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ মানবসম্পদ উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করে।
এমএমআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

