যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের প্রখ্যাত নেতা জেসি লুইস জ্যাকসন মারা গেছেন। মঙ্গলবার পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৮৪ বছর বয়সি এই নেতা। পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জেসি লুইস জ্যাকসন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ঘনিষ্ঠ শিষ্য। স্নায়ুতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর কয়েক মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি ।
৪০ বছরেরও বেশি সময় আগে দেশটির ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতি তাদের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ করে সংখ্যালঘু, বর্ণবাদ, আরব মার্কিনি এবং ফিলিস্তিনিদের অন্তর্ভুক্ত করা যারা দীর্ঘদিন ধরে প্রান্তিকীকরণের শিকার।
জেসি তার দীর্ঘ কর্মজীবনে সব সময় অধিকারবঞ্চিতদের পক্ষে কথা বলেছেন। বিশেষ করে ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা নিয়ে প্রথমে কথা বলেন তিনি। আরব বিশ্বের অন্যান্য দেশে, বিশেষ করে সিরিয়ার শরণার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসনের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালান। ২০২৪ সালে রেইনো-পুশ কোয়ালিশন নামে জ্যাকসনের সংগঠনটি গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাতে জরুরি শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করে।
আরব আমেরিকান ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মায়া বেরি বলেন, জেসি জ্যাকসন আরব আমেরিকানদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পথ তৈরি করে গেছেন। তিনি বলেন, আরব আমেরিকানদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য জ্যাকসনের ওপর সর্বদা চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু আরব আমেরিকান, বিশেষ করে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সব সময়ই সোচ্চার ছিলেন তিনি। কারণ সে সময়ে ইসরাইলের প্রতি আমেরিকাদের আকুণ্ঠ সমর্থন ছিল।
আলজাজিরাকে তিনি বলেন, ন্যায়বিচারের লড়াই এমন একটি লড়াই, যা কঠিন এবং সহজ উভয় ক্ষেত্রেই করতে হবে। আমেরিকা একজন বিশাল ব্যক্তিকে হারিয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


ইমরান খানকে মুক্ত করতে পিটিআইয়ের বাহিনী গঠনের ঘোষণা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তিতে পৌঁছানোর সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে: আইএইএ