ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ মাদুরোর অনুগত ও ঘনিষ্ঠজন হিসেবেই পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর রদ্রিগেজকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
যে আদালতটিও মাদুরোর রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতি অনুগত এবং সেখানের দায়িত্বেও রয়েছেন তার অনুগতরাই।
এটি খুব জোর দিয়ে বলাই যায় যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘যুক্তরাষ্ট্রই ভেনেজুয়েলা চালাবে’ বলে যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, বাস্তবতা তেমন নয়। কারণ দেশটির ক্ষমতায় এখনো যুক্তরাষ্ট্র নয়, মাদুরোর মিত্ররাই বহাল রয়েছেন।
অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজ যেখানে বলেছেন, ভেনেজুয়েলা নিজেকে রক্ষা করবে, সেখানে ট্রাম্পের বক্তব্যের ইঙ্গিত তিনি আশা করছেন রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করবে। অর্থাৎ ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশাধিকার বাড়ানোর বিষয়টি।
কিন্তু এই কথা বলে যুক্তরাষ্ট্র আসলে কী বোঝাতে চাইছে?
এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা ভেনেজুয়েলার মাটিতে নেই। যদিও ট্রাম্প সে সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচও করেননি।
তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে ভিন্ন ধরনের এক নিয়ন্ত্রণক্ষমতা। মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র আটক করার যে চিত্র সামনে আনা হয়েছে, সেটি এখনো ক্ষমতায় থাকা অনুগতদের সামনে কার্যত এক ধরনের হুমকিস্বরূপ বার্তা।
মাদুরোর প্রতি যারা অনুগত তারা অবশ্য এটিও ভালো করে জানেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া অনুযায়ী কাজ না করলে তারাও হতে পারেন পরবর্তী লক্ষ্য।
কাগজে-কলমে তারা এখনো ক্ষমতায় থাকলেও, বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘না’ বলার মতো অবস্থানে কতটা আছেন মাদুরোর মিত্ররা সেই প্রশ্নও থেকেই যাচ্ছে। সূত্র : বিবিসি বাংলা
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


মাদুরোকে ধরতে যাদের সাহায্য নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র