নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় সুমি রানি রায় (৩৫) নামে এক নারী ইপিজেড কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক স্বপন রায় (৩০) গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের চৌধুরীরহাট বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমি রানি রায় জলঢাকা উপজেলার পশ্চিম শিমুলবাড়ী শাল্টিতলা এলাকার বাসিন্দা শ্যামল চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। তিনি নীলফামারী সদর উপজেলার উত্তরা ইপিজেডে কর্মরত ছিলেন। আহত স্বপন রায় ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী এলাকার বিপিন রায়ের ছেলে এবং নিহতের ভাগ্নি জামাই।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার ভোরে সুমি রানি রায় তার ভাগ্নি জামাই স্বপন রায়ের মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থল উত্তরা ইপিজেডের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে চৌধুরীরহাট বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ঢাকা থেকে মীরগঞ্জগামী 'মায়ের দোয়া' পরিবহনের একটি নৈশ কোচ দ্রুতগতিতে এসে পড়ে। সংঘর্ষ এড়াতে মোটরসাইকেল চালক ব্রেক করলে সড়কে ছড়িয়ে থাকা বালুর কারণে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্লিপ করে যায়।
এতে চালক স্বপন রায় রাস্তার বাম পাশে পড়ে গুরুতর আহত হন। অপরদিকে সুমি রানি রায় রাস্তার ডান পাশে ছিটকে পড়লে বাসটির পেছনের চাকার নিচে পড়ে তার মাথা পিষ্ট হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত স্বপন রায়কে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের ওপর বালু পড়ে থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি দীর্ঘদিন ধরে বেড়ে চলেছে। তারা দ্রুত সড়ক থেকে বালু অপসারণ, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

