রাবি শিক্ষক সেলিম রেজা নিউটনকে হত্যার হুমকি

ফাহমিদুর রহমান ফাহিম, রাবি

রাবি শিক্ষক সেলিম রেজা নিউটনকে হত্যার হুমকি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সেলিম রেজা নিউটন। ছবি: সংগৃহীত

সেলিম রেজা নিউটন দীর্ঘদিন ধরেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক, লেখক ও জনবুদ্ধিজীবী হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকারভিত্তিক ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। অন্যায়, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে তিনি বরাবরই প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রশ্নে তিনি বহুবার সরব হয়েছেন।

২০২৪ সালের ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের সময়ও তিনি শিক্ষার্থীদের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ান। আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে যখন দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর দমন-পীড়ন, গ্রেপ্তার ও হামলার অভিযোগ উঠছিল, তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

বিজ্ঞাপন

তার এই ভূমিকার কারণে তিনি ব্যাপক প্রশংসা যেমন পেয়েছেন, তেমনি পরবর্তীকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা, অপপ্রচার এবং ব্যক্তিগত আক্রমণেরও মুখোমুখি হন। আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর থেকেই তাকে এবং তার পরিবারকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক অনলাইন হয়রানি, হত্যার হুমকি ও কুৎসা রটানো শুরু হয়, যা এখনও বিভিন্ন সময়ে অব্যাহত রয়েছে।

সম্প্রতি আমার দেশকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার ইনবক্স ভরে গেছে হত্যার হুমকি, গালাগালি আর অশ্লীল বার্তায়। শুধু আমাকে নয়, আমার স্ত্রী, কন্যা, বোনসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়েও নোংরা ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে। এমনকি কোথায় থাকি, কোন পথে চলাফেরা করি—এসব খোঁজ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রকাশ্যে পোস্ট করা হচ্ছে। এই অনলাইন আক্রমণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং দীর্ঘ সময় ধরে সমন্বিতভাবে পরিচালিত একটি প্রচারণার অংশ, যার লক্ষ্য জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিক ও মানসিকভাবে চাপে রাখা।

তিনি বলেন, ‘আমার পরিবারের সদস্যরাও এই প্রচারণা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। আমার কন্যা, স্ত্রী, বোন—সবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে গিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করা হচ্ছে। তাদের ছবি বিকৃত করা হচ্ছে। ধর্ষণ, হত্যাসহ নানা ধরনের সহিংস হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এগুলো শুধু অনলাইন ট্রল নয়; এগুলো মানসিক সন্ত্রাস। আমার পরিবারের জন্য এটা ভয়াবহ মানসিক চাপের বিষয়। একজন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের কাছে আমার প্রত্যাশা, এ ধরনের প্রকাশ্য সহিংস উসকানি ও হুমকির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউটনের অভিযোগ, ‘আমার বংশের সবার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে পোস্ট করা হচ্ছে। কোথায় থাকি, কার সঙ্গে চলাফেরা করি—এসব তথ্য সংগ্রহের আহ্বান জানানো হচ্ছে। এগুলো আন্তর্জাতিকভাবে ‘ডক্সিং’ নামে পরিচিত। এর উদ্দেশ্য হলো একজন মানুষকে আরও বেশি ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া। এই ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল অনলাইন হয়রানি নয়, বরং বাস্তব জীবনে হামলা বা সহিংসতার ঝুঁকি তৈরি করে।’

তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে প্রচারণা চলছে, সেটার মূল লক্ষ্য আমি নই। মূল লক্ষ্য হচ্ছে জুলাইকে অস্বীকার করা, জুলাইয়ের ইতিহাসকে বিকৃত করা এবং মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি করা। বছরখানেক ধরে অনলাইনে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে কো-অর্ডিনেটেড একটা প্রোপাগান্ডা চলছে। প্রচুর টাকা খরচ করে প্রচুর মানুষকে অনলাইনে বসিয়ে রেখে ভাড়া দিয়ে এই ভারতের লোকজনদেরকে দিয়ে একটা জুলাইয়ের বিরুদ্ধে একটা ক্যাম্পেইন চলছে।’

নিউটন বলেন, ‘জুলাই যেন ঘটেনি, জুলাই একটা মিথ্যা, জুলাই একটা অলিক এরকমের একটা অলিক প্রোপাগান্ডা, একটা প্রজেক্ট চলছে। এটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে যে এই প্রজেক্টটা একেবারে শেখ হাসিনার এবং তার পুত্র জয় তাদের ব্যক্তিগত প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে চলছে। এটা একেবারেই পতিত পলাতক হাসিনা এবং তার রাজনৈতিক এবং পারিবারিক বংশধরদের একটা প্রজেক্ট। যেকোনো মূল্যে হোক জুলাইয়ের গায়ে কালি মাখাতে হবে। তারা যে গোটা জুলাই মাস ধরে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড চালিয়ে গেছে সেটা সারা দুনিয়া দেখেছে। সেই জিনিসটাকে তারা অস্বীকার করতে চাচ্ছে। একদম পিওর ফ্যাসিস্ট অ্যাটিচিউড।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই আমার কাছে শুধু রাজনীতি না, রাজনীতির চেয়েও আরো অনেক বড়। জুলাই আমাদের অস্তিত্বের। আমি ঘর থেকে যতবার বের হয়েছি ততবার গুম হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে বের হয়েছি। আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়েছিল যে, বাংলাদেশকে যদি বাঁচাতে হয়, আমাকে যদি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ন্যূনতম হাঁটাচলা কথা বলা হয় তাহলে পারে হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে একেবারে সমূলে উৎখাত করা ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো পথ ছিল না। গোটা ১৬ বছর আমি হাসিনার এই তারা যে একটা রাষ্ট্রীয় স্বৈরাচার কায়েম করছে, তারা যে রাষ্ট্রকে একটা বিপদজনক রাক্ষসে পরিণত করেছিল সেটা নিয়ে আগাগোড়া বলে গেছি। ফলে এইটা আমাকে বলতেই হবে বাকস্বাধীনতা কেউ দেয় না বাকস্বাধীনতা আদায় করার উপায় হচ্ছে কথা বলা।’

রাবির এই শিক্ষক আরও বলেন, ‘গোটা হাসিনাৎসির রেজিমটাতে আমি সেটা করে গেছি। আরো অসংখ্য মানুষ করে গেছে। এত খারাপ অবস্থা ছিল যে সব মানুষ সবসময় কথা বলতে সাহস করেনি। কিন্তু আমার জন্য না এটা সাহসের বিষয় না আমার জন্য এটা নিঃশ্বাস নেওয়ার বিষয়। কথা বলতে না পারলে আমি তো নিঃশ্বাস নিতে পারব না। আমি স্বাভাবিক থাকতে পারব না।’

ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তারা যে একটা রাজনৈতিক প্রকল্প চালাচ্ছে। আমার দিক থেকেও কিন্তু রেসপন্সটা ছিল রাজনৈতিক। আমার যে ফেসবুক পোস্টটা সেখানে কিন্তু ওদের মতো করে পাল্টা কোনো গালি এখানে দেওয়া হয়নি। এগুলো স্ল্যাং না। এগুলো এক্সপ্রেশন। এটা আমার একটা পলিটিক্যাল ক্যাম্পেইন।’

তিনি আরো বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সময় থেকেই আমাকে লক্ষ্য করে অনলাইন আক্রমণ শুরু হয়। জুলাই থেকেই নিয়মিত এসব চলছে। প্রথম দিকে আমি গুরুত্ব দিইনি। মনে করেছি, এগুলো পাত্তা দেওয়ার মতো বিষয় নয়। কিন্তু একসময় পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে আমাকে ফেসবুকের কমেন্ট সেকশন বন্ধ করতে হয়েছে। পরে মেসেজ রিকোয়েস্টও সীমিত করে দিয়েছি। ২০০৮ সাল থেকে ফেসবুক ব্যবহার করি এর আগে কখনো মন্তব্যের সুযোগ (কমেন্ট) বন্ধ করার প্রয়োজন হয়নি। আমি কোনো দিন কমেন্ট বন্ধ করিনি। কিন্তু প্রতিদিন শত শত গালাগালি, হুমকি আর নোংরা ভাষা দেখতে দেখতে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েছি।’

হত্যার হুমকি নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কতটা উদ্বিগ্ন—এমন প্রশ্নের জবাবে নিউটন বলেন, মৃত্যুর ভয় তাকে থামাতে পারবে না। তিনি বলেন, ‘কে কখন মারা যাবে, সেটা তো আমাদের হাতে নেই। কেউ যদি সত্যিই হামলা করতে চায়, সে হুমকি দিয়ে নয়, সরাসরি করবে। তাই ব্যক্তিগতভাবে আমি এগুলোকে খুব বেশি গুরুত্ব দিই না। কিন্তু রাষ্ট্রের ভেতরে যদি প্রকাশ্যে মানুষকে হত্যা, ধর্ষণ বা হামলার হুমকি দেওয়া হয় এবং তার কোনো প্রতিকার না হয়, সেটাই উদ্বেগের বিষয়।’ তার মতে, বিষয়টি শুধু তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার নয়; বরং রাষ্ট্রে নাগরিকের নিরাপদে মত প্রকাশের অধিকারের সঙ্গে জড়িত।

নিউটন বলেন, ‘এত দিন এসব বার্তা সংরক্ষণ না করলেও এখন আমি প্রমাণ সংগ্রহ করছি। এসব নোংরা বার্তা পড়তেও কষ্ট হয়। তারপরও চেষ্টা করছি স্ক্রিনশট নিয়ে সংরক্ষণ করতে। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলব। পুলিশের সাইবার ইউনিট বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাব। প্রয়োজনে মামলা করব।’ তার মতে, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অপরাধের বিচার হয়, সে জন্য ঘটনাগুলো নথিভুক্ত করা জরুরি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিউটনের একটি পোস্ট ঘিরে তার শিক্ষকতার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার ঘটনাও আলোচনায় আসে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কাউকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে না পারলে অনেক সময় নৈতিকতা, শালীনতা বা অশ্লীলতার প্রশ্ন তুলে তাকে আক্রমণ করা হয়। এটা নতুন কিছু নয়। আমার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা করিনি। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দশকের বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা করছি। আমার নৈতিকতার বিচার হবে আমি ঠিকমতো ক্লাস নিই কি না, গবেষণা করি কি না, শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্ব পালন করি কি না—এসব দিয়ে; কোনো ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্ট দিয়ে নয়।

নিউটন বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান আমার কাছে শুধু রাজনৈতিক কোনো ঘটনা নয়; বরং ব্যক্তিগত অস্তিত্বের প্রশ্ন। ১৬ বছর আমি স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারিনি। ঘর থেকে বের হলে মনে হতো, যদি আর ফিরে না আসি? এই অভিজ্ঞতা শুধু আমার নয়, অসংখ্য মানুষের ছিল। তাই জুলাই আমার কাছে শুধু রাজনীতি নয়, অস্তিত্বের প্রশ্ন। জুলাইয়ে বিভিন্ন মত, পথ ও রাজনৈতিক বিশ্বাসের মানুষ একসঙ্গে ছিলাম। এটাকে কোনো একক ব্যক্তি বা দলের সম্পত্তি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।’

তিনি বলেন, ‘এটা শুধু আমার বিষয় নয়। কোনো নাগরিক যদি মত প্রকাশের কারণে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি পায়, তার পরিবারকে টার্গেট করা হয়, তাহলে সেটা রাষ্ট্রের জন্যও উদ্বেগের বিষয়। আমি চাই না কেউ আমার জন্য বিশেষ সুবিধা পাক। আমি শুধু চাই, একজন নাগরিক হিসেবে আইন যে সুরক্ষা দেয়, সেটুকু যেন সবাই সমানভাবে পায়। ভয় দেখিয়ে কাউকে চুপ করিয়ে দেওয়া গণতন্ত্রের পথ নয়। মতের বিরোধিতা যুক্তি দিয়ে হতে পারে, কিন্তু হত্যার হুমকি বা পরিবারকে টার্গেট করা কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো এসব হুমকি এবং সাইবার বুলিং করছেন নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও তাদের অনুসারীরা। ফেসবুকে তাদের পরিচয় পাওয়া না গেলেও বেশিরভাগের ফেসবুক প্রোফাইলে শেখ মুজিব, শেখ হাসিনা বা ছাত্রলীগের লোগো দেওয়া। এতে বোঝা যায় তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।

এসব বিষয়ে রাবির নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাবিব জাকারিয়া বলেন, ‘এগুলো খুবই সুপরিকল্পিত। আমি মনে করি যে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে যারা ছিলেন তারা এই হ্যারেজমেন্টটা করছে। তারা নানাভাবে হ্যারেজ করার চেষ্টা করছে। নিউটনকে এভাবে হ্যারেজ করাটা বোকামির কাজ, খুবই নির্বোধের কাজ। নিউটন আজকালকের লড়াকু লোক না, সে সারাজীবন অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ে গেছে। এই যে হ্যারাসমেন্ট, এটা আমরা বুঝতেই পারছি কারা করছে। আশা করি সরকার বিষয়গুলো বুঝতে পারবেন এবং তার নিরাপত্তার যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।’

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা বলেন, ‘যেকোনো ধরনের নোংরামি সমর্থন করার কোনো সুযোগ নেই। আমি যেকোনো মানুষের উপরেই যদি কোনো সাইবার বুলিং হয়, যেকোনো মানুষকে যদি হত্যা হমকি দেওয়া হয়, সেটা কখনোই কাম্য নয়। আমরা ওইরকম একটা সমাজ কখনোই চাইনা। সেলিম রেজা নিউটন একটা ব্যক্তি নয়, আমি মনে করি সে একটা প্রতিষ্ঠান। নিউটন নিজেকে যেভাবে প্রস্তুত করেছে, এখন একটা বড় প্রতিষ্ঠান যত হবে তত বাতাস তার গায়ে লাগবে, ঝাপটা তার বেশি আসবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমিও বিষয়টা ফেসবুকে দেখেছি। তবে তিনি কোনো অভিযোগ বা এধরনের কিছু আমাদেরকে জানাননি। এছাড়া সাইবার বুলিং একটা ওয়াইড এরিয়া, এখানে আসলে সুনির্দিষ্ট দোষীকে আইডেন্টিভাই করা কঠিন। এক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর অভিযোগটা জরুরি।’

এএস

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...