আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচের রোমাঞ্চকর সব রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক

আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচের রোমাঞ্চকর সব রেকর্ড

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে আর্জেন্টিনা। রেকর্ড ও রোমাঞ্চে ভরা এই ম্যাচের মূল পরিসংখ্যানগুলো নিচে দেওয়া হলো–



বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথমবার ফিফা র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ চার দল একসঙ্গে সেমিফাইনালে উঠল। ১- ফ্রান্স, ২- আর্জেন্টিনা, ৩- স্পেন ও ৪- ইংল্যান্ড ।



অতীতে বিশ্বকাপ জিতেছে এমন চার দলই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে—এমন ঘটনা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি তৃতীয়বার। এর আগে ১৯৭০ ও ১৯৯০ আসরে এই ঘটনা ঘটেছিল।



১৯৯৪ থেকে ২০১৪ বিশ্বকাপের আগপর্যন্ত আর্জেন্টিনা একবারও সেমিফাইনাল খেলতে পারেনি। তবে সর্বশেষ চার বিশ্বকাপের মধ্যে তারা ৩ বারই সেমিফাইনালে উঠল (২০১৪, ২০২২, ২০২৬)।

১৩

বিশ্বকাপে এ নিয়ে রেকর্ড ১৩ বার আর্জেন্টিনার ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াল। এর মধ্যে টাইব্রেকারসহ তারা জিতেছে ১১ বার।



বিশ্বকাপের ইতিহাসে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনা সর্বোচ্চ ৯টি গোল করার রেকর্ড গড়ল।



সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ১১২ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের গোলটি বিশ্বকাপে তাদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দেরিতে হওয়া গোল। ১ নম্বরে আছেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, যিনি ২০১৪ বিশ্বকাপের শেষ ১৬-এর ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ১১৮ মিনিটে গোল করেছিলেন।



হুলিয়ান আলভারেজের ক্যারিয়ারের ৫টি বিশ্বকাপ গোলের মধ্যে ৪টিই এসেছে নকআউট পর্বে। এর মাধ্যমে নকআউটে গোলসংখ্যায় তিনি ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে ছুঁয়ে ফেলেছেন। আর্জেন্টিনার হয়ে নকআউটে সর্বোচ্চ ৭টি গোল লিওনেল মেসির।




ম্যাক আলিস্টারের গোলে অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপে ১০টি অ্যাসিস্টের মালিক হলেন মেসি, ১৯৬৬ সালের পর যা সর্বোচ্চ।

১০

মেসির এই ১০টি অ্যাসিস্টে গোল করেছেন ১০ জন ভিন্ন খেলোয়াড়। চলতি আসরে মেসির গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে অবদান সব মিলিয়ে ১০টি।



বিশ্বকাপে টানা ৯ ম্যাচ গোল করার পর, এই প্রথম কোনো ম্যাচে গোল করতে ব্যর্থ হলেন মেসি। গোল করার দিক থেকে ম্যাচটিতে মেসি যেন ‘ছুটি’তে ছিলেন!

১০

ইউরোপের দলগুলোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে লিওনেল স্কালোনি তার অপরাজিত থাকার রেকর্ড ১০ ম্যাচে নিয়ে গেলেন (৭ জয়, ৩ ড্র)।




সুইজারল্যান্ড এ নিয়ে চারবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও প্রতিবারই (১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৫৪, ২০২৬) তাদের হেরে বিদায় নিতে হয়েছে।



ফাউলের অভিনয় করার জন্য দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এম্বোলো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই কারণে লাল কার্ড দেখা তিনি চতুর্থ খেলোয়াড়। ২০০৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে ঘানার আসামোয়াহ জিয়ানের পর তিনিই প্রথম এই অনাকাঙ্ক্ষিত লাল কার্ড দেখলেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন