পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চাহিদার তুলনায় কম ও বৈরী আবহাওয়ায় বিদ্যুতের তারের ওপর গাছপালা পরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে কয়েক হাজার গ্রাহক। গত বুধবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকেন এসব গ্রাহক। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এলাকাবাসী।
মির্জাগঞ্জ সাব জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় গ্রাহকের সংখ্যা ৪০ হাজার। সকাল থেকে বৈরী আবহাওয়া ও অতি বৃষ্টিতে গাছপালা ভেঙে বিভিন্ন জায়গায় তার ছিঁড়ে গিয়ে লাইন বন্ধ ছিল। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে উপকেন্দ্রের সব লাইন বন্ধ ছিল। বিকাল ৩টার পরে কিছু এলাকার লাইন চালু করা সম্ভব হয়েছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ থেমে থেমে আসে আর যায়। সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলে। রাতে বিদ্যুৎ না থাকায়, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। সন্ধ্যার পরে বিদ্যুৎ থাকে না, জানতে চাইলে মাধবখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাজ্জাক মৃধা আমার দেশকে বলেন, তার ছেলে দশম শ্রেণিতে পড়ে। সন্ধ্যার পরে বিদ্যুৎ থাকে না। গ্রামের বাড়িতে কোনো বিকল্প ব্যবস্থাও নেই। ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করতে পারে না। এভাবে চলতে থাকলে এসএসসি পরীক্ষায় সকলের রেজাল্ট খারাপ হবে। মির্জাগঞ্জ সাব জোনাল অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক পলক সাহা বলেন, মির্জাগঞ্জে বিদ্যুতের চাহিদা ৮ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে মাঝে মাঝে বরাদ্দ পাওয়া যায় চার থেকে সাড়ে চার মেগাওয়াট। এ কারণে গ্রাহকরা লোডশেডিংয়ে থাকে। এছাড়াও গত তিন দিনের বৈরী আবহাওয়ার কারণে গাছপালা পড়ে বিদ্যুৎ লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

