পাঁচ দিনের টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও সমুদ্রের জোয়ার বেড়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। বর্তমানে উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
বুধবার রাত ৯টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বাঁশখালী। দুর্গত এলাকায় প্রয়োজনীয় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমীন বলেছেন, সরকার থেকে ত্রাণসামগ্রী এলেই আমরা দ্রুত দুর্গত এলাকায় পৌঁছে দেব। বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ ও দুর্গত এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পানি দ্রুত বাড়ছে। ইতোমধ্যে অসংখ্য বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। গ্রামীণ সড়কের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হওয়ায় অনেক এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।
বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, বাঁশখালীর বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। আমাদের উদ্ধারকারী দল ইতোমধ্যে বৈলছড়ি এলাকায় একটি পরিবারের সাত সদস্যকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। দুর্গত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে উপজেলা প্রশাসন জরুরি জনসচেতনতামূলক বার্তা দিয়ে নিম্নাঞ্চল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মসজিদে মাইকিংসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে পানিবন্দি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

