মন্তব্য প্রতিবেদন

সৈনিক-জনতার স্বাধীনতা রক্ষার সম্মিলিত লড়াই

Mahmudur Rahman
মাহমুদুর রহমান

সৈনিক-জনতার স্বাধীনতা রক্ষার সম্মিলিত লড়াই

আমার দেশ-এর একজন সিনিয়র সাংবাদিক অতি সম্প্রতি উত্তরের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলা সফর করে এসেছেন। আমাদের পত্রিকার সেসব জেলার প্রতিনিধিদের নিয়ে তিনি বিজিবি এবং স্থানীয় জনগণের রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিদিনের লড়াই সরেজমিনে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দেখে পত্রিকার জন্য চমৎকার প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। তার লেখা সেই প্রতিবেদন গত সপ্তাহে আমার দেশ-এ দুই পর্বে প্রকাশিত হয়েছে। আনন্দের কথা হলো, রাষ্ট্রের অন্তত কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সীমান্তের আশাজাগানিয়া সংবাদ কষ্ট করে পড়ে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

আমার সহকর্মীর কাছ থেকে শোনা একজন বিজিবি সদস্যর মন্তব্য আমাকে বিশেষভাবে আলোড়িত করেছে। সেই সদস্য বলেছেন, ‘আমরা ১৭ বছর বিড়ালের মতো ছিলাম, জুলাই বিপ্লবের পর সীমান্ত রক্ষায় আবার প্রকৃত সৈনিকের ভূমিকা সাহসের সঙ্গে পালন করতে পারছি।’ আমি জানি না সেই সৈনিক আমার আজকের লেখা পড়ার সুযোগ পাবেন কি না। তবু আমি তাকে সাহসিকতার সঙ্গে দেশরক্ষার জন্য লেখার মাধ্যমে সশ্রদ্ধ স্যালুট জানিয়ে রাখলাম। প্রসঙ্গক্রমে খানিকটা ধর্মের কথা বলি।

বিজ্ঞাপন

সুরা আল-ইমরানের ২০০ নম্বর আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা ধৈর্য ধারণ করো, ধৈর্যে অটল থাকো, সীমান্তে ও প্রহরায় নিয়োজিত থাকো এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।’ হজরত সালমান ফারসি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর পথে একদিন ও একরাত সীমান্ত পাহারা দেওয়া এক মাস রোজা রাখা এবং এক মাস রাতভর ইবাদত করার চেয়েও উত্তম’ (মুসলিম ১৯১৩)। কোরআন ও হাদিস থেকে উদ্ধৃতি দিলে আবার আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী, সুশীল এবং ভারতপন্থি বাম ঘরানার ব্যক্তিরা বড়ই বিরক্ত হন।

ইদানীং বিএনপির প্রভাবশালী নেতারাও আওয়ামী স্টাইলে দেশে মৌলবাদ এবং উগ্রবাদ খুঁজে বেড়াচ্ছেন। তবে বাস্তবতা হলো, সাংবিধানিকভাবে ইসলামিক রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ অধিবাসী মুসলমান। কাজেই আমার বিবেচনায় আমার সহকর্মী যে বিজিবি সৈনিকের সঙ্গে কথা বলে এসেছেন, তিনি মহান রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পবিত্র ধর্মীয় দায়িত্বও পালন করছেন।

সীমান্ত পাহারা দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার জন্য তিনি নিজেকে বিশেষ সৌভাগ্যবান বিবেচনা করতে পারেন। তাছাড়া, তার কথার মধ্যে জুলাই বিপ্লবের প্রতি শ্রদ্ধাও প্রতিফলিত হয়েছে। আশা করি পাঠক একমত হবেন যে, জুলাই বিপ্লবে আমাদের অকুতোভয় তরুণরা দেশের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি সেনাবাহিনী এবং বিজিবির সৈনিকদের প্রকৃত মর্যাদাও ফিরিয়ে দিয়েছে।

অথচ, কী আশ্চর্যের কথা যে, বর্তমান সরকারি দলের কোনো কোনো এমপি টেলিভিশন টক শোতে এসে এই জুলাই মাসেই অবলীলায় বিপ্লব নিয়ে চরম অশ্রদ্ধাভরে বক্তব্য দিচ্ছেন। আমি এদের অকৃতজ্ঞতার মাত্রা দেখে স্তম্ভিত হই। নাকি এরা সব এতদিন ফ্যাসিবাদের গুপ্ত দোসর ছিলেন? রাষ্ট্রের সম্পদ লুণ্ঠনে এদেরও নিশ্চয়ই ভাগ ছিল।

তাই শেখ হাসিনার পতনের দুঃখে চিহ্নিত সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদীদের মতো সরকারের অভ্যন্তরের এই জুলাইবিরোধী অংশও সর্বক্ষণ কাতর হয়ে আছেন। অন্তরের বিষে তাই তাদের মুখে কোনো লাগাম থাকে না। আমরা অনেকেই নানাভাবে জুলাই বিপ্লবের সুবিধাভোগী হলেও, নিশ্চয়ই আজ ক্ষমতায় যারা আছেন তারাই সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী। ক্ষমতার মদিরাপানে এই উন্মত্তদের বিপ্লব নিয়ে প্রশ্ন তোলা দেখে আমার মনেও প্রশ্ন জাগে, তাহলে কি আনাসের মতো দেশপ্রেমিক কিশোরদের শাহাদত বৃথাই গেল? গত সপ্তাহে কনক সরওয়ারের ইউটিউব চ্যানেলে আনাসের শোকাতুর অথচ গর্বিত মায়ের সাক্ষাৎকার শুনেছি।

তিনি সরকার ও জাতির কাছে তার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। জানি না সরকারপ্রধানের এই শহীদ জননীর প্রত্যাশার কথা শোনার সময় হয়েছে কি না। এসব জানা থাকলে তার সরকার পরিচালনায় হয়তো সুবিধা হতে পারতো। আমি মনে করি, তিনি যে এখনো তার দলের উদ্ধত সংসদ সদস্যের অকৃতজ্ঞতার জন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি, এতে শহীদ পরিবারগুলোর প্রতি অমর্যাদা করা হচ্ছে। তবে রাকিব, আবিদসহ ছাত্রদলের সব তরুণ নেতা যেভাবে গর্জে উঠেছেন তাতে আমি দেশের ভবিষ্যৎ কান্ডারিদের নিয়ে আশাবাদী হচ্ছি। তাদেরকে অভিনন্দন।

আজকের লেখা শুরু করেছি সীমান্তের লড়াই নিয়ে। শেখ হাসিনার দিল্লিতে পলায়নের পর থেকে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করেছে। সেই যুদ্ধের অংশ হিসেবে ভারতীয় বাহিনী বিএসএফ সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার ঘটনা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি প্রায় প্রতিদিন বাংলা ভাষাভাষী ভারতীয় মুসলমানদের সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে। বিজিবি এবং সীমান্ত অঞ্চলের নারী ও পুরুষরা মিলিতভাবে দিনরাত বিএসএফকে যথাসম্ভব প্রতিহত করছেন।

একটি দেশে কোনো বিদেশি নাগরিক বেআইনিভাবে অবস্থান করলে কিংবা অনুপ্রবেশ করলে তাকে নিজ দেশে ফেরানোর আন্তর্জাতিক রীতিনীতি রয়েছে যা ভারত লঙ্ঘন করছে। বেআইনিভাবে অবস্থানরত কোনো বাংলাদেশি আদৌ ভারতে থাকলে নিয়ম হলো, তাকে আটক করে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ফেরত পাঠানো। আমাদের দেশেও বেআইনিভাবে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে আমরা এই পন্থাই অবলম্বন করছি। ভারত যে অমানবিক পদ্ধতিতে বাংলা ভাষাভাষী মুসলমান নারী, পুরুষ ও শিশুদের দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ধরে এনে কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই বন্দুকের নলের মুখে জোর করে ‘নো ম্যানস ল্যান্ডে’ ঠেলে দিচ্ছে সেটা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ভারতের অন্যায় আচরণের নিন্দা জানিয়েছে।

ভারত বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের কোনো ধরনের তোয়াক্কা না করে প্রকৃতপক্ষে আগ্রাসন চালাচ্ছে। বিজিবি এবং সীমান্তের বাংলাদেশিরা মিলিতভাবে ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিহত করে জাতিকে পথ দেখাচ্ছেন। শেখ হাসিনা তার ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে জনগণের বিরুদ্ধে পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে যে পারস্পরিক আস্থার সংকট সৃষ্টি করেছিলেন, মহান জুলাই বিপ্লবে তার অবসান হয়েছে বলে আমরা আশাবাদী। এখন সময় এসেছে জনগণ, পুলিশ, বিজিবি এবং সেনাবাহিনীকে নিয়ে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা নীতি প্রণয়ন যা আমাদের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতাকে সুরক্ষা দেবে। স্মরণে রাখা দরকার যে, মহান জুলাই বিপ্লবে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম আল্লাহর রহমত এবং আপন শক্তিতে বলীয়ান হয়ে অভ্যন্তরীণ ফ্যাসিবাদ এবং আঞ্চলিক হেজেমনির বিরুদ্ধে যুগপৎ সংগ্রাম করে বিজয়ী হয়েছে।

একাত্তরের সঙ্গে চব্বিশের অন্যতম প্রধান পার্থক্য হলো, সে সময় আমাদেরকে সরাসরি বিদেশি শক্তির সামরিক ও অন্যান্য সাহায্য গ্রহণ করতে হয়েছিল। জাতির সেই সাহায্য গ্রহণের কাফ্ফারা দেওয়া আজও চলছে। সৌভাগ্যের বিষয় হলো, চব্বিশের জন্য আমরা একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত আর কারো কাছে ঋণী নই।

সীমান্তে পাহারারত বিজিবি সদস্যরা আমার দেশ-এর সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপচারিতায় আমাদের বেশকিছু সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছেন, যার সমাধানের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তারা সেনাসংখ্যা, যানবাহন এবং আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের অপ্রতুলতার সঙ্গে অবকাঠামোগত সমস্যার কথাও বলেছেন। উদাহরণস্বরূপ তারা উল্লেখ করেছেন, সীমান্তের ভারতীয় অংশে একেবারে সীমান্ত ঘেঁষে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলেও আমাদের রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই করুণ। এপারে কর্দমাক্ত, কাঁচা রাস্তা থাকায় একদিকে যেমন সীমান্তের খবর দ্রুততার সঙ্গে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না, অন্যদিকে ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে দেশের অভ্যন্তর থেকে সময়মতো প্রয়োজনীয় সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটছে।

আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকলেও জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্ত এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। বাংলাদেশের মোট বার্ষিক বাজেট এখন একেবারে কম নয়। কদিন আগেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সংসদে গৃহীত হয়েছে। সেই বাজেটের পরিমাণ ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অপচয় কমানো এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলে এই পরিমাণ অর্থে অনেক কাজই করা সম্ভব। বাংলাদেশ-ভারত এবং বাংলাদেশ-মিয়ানমার উভয় সীমান্তেই আমাদের নিরাপত্তাবিষয়ক উদ্বেগ রয়েছে।

মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে রীতিমতো গৃহযুদ্ধ চলছে, যার আঁচ আমাদের গায়েও লাগছে। ১০ লাখের চেয়ে বেশি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক ভিটেমাটি ছেড়ে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। অপরদিকে বিশাল ভারতের সঙ্গে শীতল সম্পর্ক বিরাজ করছে। কাজেই এই ভূরাজনৈতিক প্রতিকূলতার বাস্তবতায় কেবল প্রথাগত সেনাবাহিনী দিয়ে আমাদের মতো উন্নয়নশীল ও সীমিত সম্পদের একটি দেশের সর্ব সেক্টরে নিরাপত্তা বিধান অত্যন্ত দুরূহ বলেই আমার ধারণা। সুতরাং, নিরাপত্তাসংক্রান্ত নতুন চিন্তাধারা প্রয়োজন।

প্রথমত আমাদের তরুণদের বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদানের কথা ভাবা যেতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল মাত্র এক কোটিরও কম জনসংখ্যা নিয়ে বিশ্বের অন্যতম প্রধান সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এটা ঠিক যে, ইসরাইলের পেছনে বিশ্বের এক নম্বর সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিধর দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একেবারে অন্ধ সমর্থন রয়েছে। কিন্তু ইসরাইলি সেনাবাহিনীও যথেষ্ট পরাক্রমশালী। দেশটির সেনা, বিমান এবং নৌবাহিনীতে মোট সৈন্য প্রায় ছয় লাখ হলেও সম্পূর্ণ বেসামরিক ও সামরিক নিরাপত্তা অবয়বের (Complete Civilian-Military Defense Structure) মধ্যে যুদ্ধে সক্ষম নাগরিকের সংখ্যা কর্মরত সামরিক সদস্যের কয়েক গুণ।

এই মিলিত শক্তিতেই উদ্ধত জায়নিস্ট দেশটি সেই ২০২৩ সাল থেকে একসঙ্গে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের সামরিক বিশেষজ্ঞদের এই যুদ্ধকৌশল নিয়ে ব্যাপক চিন্তাভাবনা করা দরকার। বহিঃশত্রুর আগ্রাসন থেকে দেশকে বাঁচাতে প্রথাগত সেনাবাহিনীর সঙ্গে জনগণকে সম্পৃক্ত করে একটি গণপ্রতিরক্ষার দিকে আমরা ধাবিত হতে পারি। দ্বিতীয়ত আমরা শান্তিকামী জাতি। জায়নিস্ট ইসরাইলের মতো অন্য দেশের ভূমি দখলের কোনো অন্যায় আকাঙ্ক্ষা আমরা পোষণ করি না। কোনো প্রতিবেশীর সঙ্গেই আমাদের যুদ্ধে জড়ানোর ইচ্ছা নেই।

কাজেই আমাদের আক্রমণের চাইতে প্রতিরোধ কৌশলের দিকে অধিকতর মনোযোগ দেওয়া আবশ্যক বলে আমার ধারণা। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন অফিসাররা বিশেষভাবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের এবং ভারতের বিরুদ্ধে চার দিনের যুদ্ধে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়ে বিশ্লেষণ করতে পারেন। এবং তৃতীয়ত দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ইস্যুতে সব দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক এবং সামাজিক শক্তিকে একতাবদ্ধ করে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

এ কাজে অবশ্যই সরকারকে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। আমার বিশ্বাস, সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে আহ্বান জানানো হলে অন্যরা তাতে সাড়া দেবেন। দেশের বৃহত্তর নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের উদ্যোগ ও নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক দলসমূহ, সামরিক বাহিনী এবং বেসামরিক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠনের চিন্তা ক্ষমতাসীনরা করতে পারেন। সীমান্তের সৈনিক ও জনতার অদম্য সাহসিকতাপূর্ণ সমন্বিত প্রতিরোধের মডেলকে সম্প্রসারণ করা হলে ১৮ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশকে কেউ ঘাঁটানোর সাহস করবে না। মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের সহায় হোন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন