কাতারে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত পরোক্ষ আলোচনাকে ‘সঠিক দিকের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন সাবেক মার্কিন কূটনীতিক গর্ডন গ্রে। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে যে, দুই পক্ষই চলমান যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে এবং একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে আন্তরিক।
আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
নিয়ার ইস্টার্ন অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক সাবেক এই মার্কিন ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অফ স্টেট জানান, আপাতদৃষ্টিতে আলোচনা ইতিবাচক মনে হলেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের সামনে এখনও ‘বেশ কিছু জটিল ইস্যু’ রয়ে গেছে। দুই দেশেরই এখন নিজস্ব কিছু অগ্রাধিকার ও জরুরি স্বার্থ রয়েছে।
গর্ডন গ্রে-র বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় এবং তাৎক্ষণিক স্বার্থ হলো ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় উন্মুক্ত করা। বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্য সুরক্ষায় এই নৌপথের গুরুত্ব অপরিসীম।
অন্যদিকে, ইরানের জন্য এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় তাগিদ হলো অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পাওয়া। দীর্ঘ যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং দেশের অভ্যন্তরে চরম অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার কারণে ইরানের অর্থনীতি এখন বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে। সেই ভঙ্গুর দশা থেকে উত্তরণের জন্যই তেহরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


