ক্রিকেটার নাঈম হেনস্তা

এসআইসহ তিন পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ

চট্টগ্রাম ব্যুরো

এসআইসহ তিন পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে থানায় নিয়ে হেনস্তার ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। খুলশী থানার ওই সময়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেনকে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে তদন্ত কমিটি।

বিজ্ঞাপন

রোববার তদন্ত প্রতিবেদন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীর কাছে জমা দেওয়া হয়। প্রতিবেদন প্রসঙ্গে সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, তদন্ত কমিটি এসআইসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। আর ওসির বিষয়ে কিছু অবজারভেশন দিয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার মতো দায় পায়নি।

তিনি জানান, তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনার সার্বিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে ৭টি প্রশাসনিক সুপারিশও করা হয়েছে বলে জানান সিএমপি কমিশনার।

ঘটনার তদন্তে নগর পুলিশের উপকমিশনার (পশ্চিম) আলমগীর হোসেনকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময় নিয়ে রোববার কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।

গত ১২ জুন রাতে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার মোড়ে অটোরিকশা থামিয়ে জাতীয় দলের অফ স্পিনার নাঈম হাসানকে খুলশী থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। অভিযোগ ওঠে, সেখানে তাকে মারধর ও হেনস্তা করা হয়।

সেদিন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলে বিমানে চট্টগ্রামে ফেরেন নাঈম। বিমানবন্দর থেকে অটোরিকশায় করে চান্দগাঁওয়ে নিজের বাসায় যাওয়ার পথে পুলিশ তাকে আটক করে।

এ ঘটনায় খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো. রাসেল চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া খুলশী থানার তৎকালীন ওসি আরিফ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়।

এ ঘটনায় নাঈম হাসানের ভাই কামরুল আলম খুলশী থানার দুই পুলিশ সদস্য এবং পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত সোহেলকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।

তদন্ত প্রতিবেদনে ওসির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার সুপারিশ না থাকলেও তার দায়িত্ব পালনের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ যুক্ত হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে আলোচনার নতুন মাত্রা তৈরি হয়েছে।

এমই

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...