লুসাইল বা মারাকানার সেই চেনা জাদু এবার দেখা গেল কেপ ভার্দের বিপক্ষেও। বয়স ৪০ ছুঁইছুঁই, কিন্তু মাঠে নামলেই তিনি যেন ২০ বছরের তরুণ। ২০২৬ বিশ্বকাপে আরো একটি ‘মেসিময়’ ম্যাচের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচে শুধু আর্জেন্টিনাকে জেতানোই নয়, ফুটবল ইতিহাসের রেকর্ড বইয়ের পাতাগুলো নতুন করে লিখেছেন লিওনেল মেসি।
একনজরে দেখে নেওয়া যাক কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচে মেসির গড়া সেই অবিশ্বাস্য সব কীর্তি-
১
আর মাত্র ১টি গোল করলেই ১৯৩০ সালের বিশ্বকাপে গুইলারমো স্তাবিলের করা ৮ গোলের শতবর্ষী রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন মেসি, যা হবে এক বিশ্বকাপে কোনো আর্জেন্টাইনের সর্বোচ্চ গোলের কীর্তি।
৫
বিশ্বকাপের ইতিহাসে নকআউট পর্বে মাত্র তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে টানা ৫ ম্যাচে গোল করার নজির গড়লেন মেসি। এর আগে এই কীর্তি ছিল শুধু গিওর্গি সারোসি ও ভাভার।
৫
বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে নকআউট পর্বের টানা ৫টি ম্যাচে গোল করার অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়লেন মেসি।
৬
বিশ্বকাপের সর্বশেষ ৬টি নকআউট ম্যাচে সরাসরি ১০টি গোলে অবদান রেখেছেন এই ফুটবল জাদুকর, যার মধ্যে নিজে করেছেন ৬টি এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৪টি।
৭
ফিফা বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে মেসিই প্রথম ও একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি দুটি ভিন্ন আসরে (২০২২ এবং ২০২৬) ৭ বা তার বেশি গোল করার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন।
১২
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১২টি গোলে (৬ গোল, ৬ অ্যাসিস্ট) সরাসরি অবদান রেখেছেন মেসি, যা পেলে ও এমবাপ্পের (১১টি) রেকর্ড ভেঙে তাকে শীর্ষে নিয়ে গেছে।
১৪
বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ২২টি ভিন্ন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে রেকর্ড ১৪টি দেশের বিপক্ষেই গোল উৎসব করেছেন এলএমটেন।
২০
প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে ২০টি গোলের মহাকাব্যিক রেকর্ড নিজের নামে লিখলেন এই আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
৩০
বিশ্বকাপের মঞ্চে ৩০তম ম্যাচ খেলে ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন লিওনেল মেসি।
৩৫
বয়স ৩৫ পার হওয়ার পর বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা ১৪টি। যেখানে বিশ্বকাপের পুরো ইতিহাসে ৩৫ ঊর্ধ্ব বাকি সব ফুটবলার মিলে করেছেন মাত্র ২৫টি গোল!
৭৯
৩৯ বছরের মেসি যখন কেপ ভার্দের ৪০ বছরের গোলকিপার ভোজিনিয়ার জালে বল জড়ালেন, তখন দুজনের সম্মিলিত বয়স ছিল ৭৯ বছর ৬১ দিন, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

